Category: মূল খাবার

আমাদের দেশের বড় বড় রেস্টুরেন্ট বা কাবাব হাউজগুলিতে লেয়ার করা একধরণের পরটা পাওয়া যায়। অনেকেরই ধারণা এই পরটা বাসা-বাড়িতে তৈরী করা সম্ভব না। আর তাই আমি শেখানোর চেষ্টা করছি রেস্টুরেন্ট স্টাইলে লাচ্ছা পরটা।

লাচ্ছা পরটা তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

এই পরটার জন্য আটার ডো তৈরীর রেসিপি আছে এই লিঙ্কে।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

পারফেক্ট পরোটা! লক্ষ্য করবেন যে আমি এখানে পারফেক্ট শব্দটা ব্যবহার করেছি এই কারণে যাতে আপনাদেরই বুঝতে সুবিধা হয়। তো কি করলে হবে এই পারফেক্ট পরোটা সেটা একটু বলি। একটা পরোটা একই সাথে ক্রিসপি বা কুড়মুড়ে হতে হবে আবার একই সাথে ভেতরটা তুলতুলে হতে হবে। তৈরীর পরে অন্তত ৫-১০ মিনিট পরটাটার অবস্থা বা স্বাদে কোনো পরিবর্তন হবেনা। তবেই হবে পারফেক্ট পরোটা। অনেক রিকোয়েস্ট ছিলো এই পরোটার, আশাকরি অনেকের কাজে লাগবে আমার এই রেসিপিটি। তবে রেসিপিটি ফলো করার আগে এই লিঙ্ক থেকে এই পরোটার জন্য আটার ডো তৈরীর নিয়মটা অবশ্যই দেখে নিতে হবে।

পারফেক্ট ঘরোয়া পরোটা তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমরা সবাই চাই যাতে আমাদের তৈরী করা পরটাটা পারফেক্ট হয়, কিন্তু সব টেষ্টার শর্তেও পরটা পারফেক্ট হয়না। দেখা যায় শক্ত হয়ে গিয়েছে বা ইলাস্টিকের মতো হয়ে গিয়েছে। আবার অনেকসময় দেখা যায় তৈরীর পর পর ভালো ছিলো, কিন্তু ২ মিনিট যেতেই আবার মোটা কাগজের মতো শক্ত হয়ে গিয়েছে। তাই পরটা তৈরীর জন্য কিভাবে পারফেক্ট আটার ডো তৈরী করতে হয় তা দেখাচ্ছা।

পারফেক্ট আটার ডো তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে…

  1. আটা ২ কাপ
  2. রান্নার তেল ১ টেবিল চামুচ
  3. গুঁড়ো দুধ ১ টেবিল চামুচ
  4. চিনি ২ টেবিল চামুচ
  5. লবণ ১ চা চামুচ

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

“মাছে ভাতে বাঙ্গালী”

সাদা ভাত, মাছের তরকারি আর সাথে একটা ভর্তা। আমার মনে হয়না বাঙ্গালীদের এর চাইতে ভালো কিছু খেতে দিয়ে ইম্প্রেস করা সম্ভব। আমার চ্যানেলে আমি বরাবরই ট্রেডিশনাল রেসিপিগুলি তুলে ধরার চেষ্টা করছি এবং তারই ধারাবাহিকতায় এখন দেখাচ্ছি দেশীয় হোটেল স্টাইলে ফিশ কারি রেসিপি।

ফিশ কারি তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে (আমি এখানে ৫০০ গ্রাম ওজনের দু’টি রূপচাঁদা মাছ নিয়েছি, এবং সেই অনুপাতে সমস্থ উপকরণ দিয়েছি। আপনারা যে মাছ দিয়েই এই রান্নাটি করেন, উপকরণগুলির পরিমাণ এরকমই থাকবে):

  1. মাছ ৫০০ গ্রাম
  2.  মাছ ৫০০ গ্রাম
  3. শুকনো মরিচের গুঁড়ি
    • মাছ ভাজতে ০.৫ চা চামুচ
    • মাছ রান্না করতে ১ চা চামুচ
  4. হলুদের গুঁড়ি
    • চিমটি পরিমাণ মাছ ভাজতে
    • চিমটি পরিমাণ মাছ রান্না করতে
  5. ধনে গুঁড়ি
    • ০.৫ চা চামুচ মাছ ভাজতে
    • মাছ রান্না করতে ১ চা চামুচ
  6. লবণ
    • মাছ ভাজতে ০.৫ চা চামুচ
    • মাছ রান্না করতে ১ চা চামুচ
  7. রসুন বাটা
    • মাছ ভাজতে ০.৫ চা চামুচ
    • মাছ রান্না করতে ১ চা চামুচ
  8. আদা বাটা
    • মাছ ভাজতে ০.৫ চা চামুচ
    • মাছ রান্না করতে ০.৫ চা চামুচ
  9. তেল
    • ০.৫ কাপ মাছ ভাজতে
    • মাছ রান্না করতে ০.৫ কাপ
  10. পেঁয়াজ কুচি ১.৫ কাপ
  11. গোটা জিরা ১ চা চামুচ
  12. টমেটো ০.৫ কাপ
  13. কাঁচা মরিচ ৫/৬ টি
  14. ভাজা জিরা গুঁড়ি ১ চা চামুচ

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ভর্তার প্রতি দুর্বলতাটা বাঙ্গালীর নতুন কিছু না। তবে সবচাইতে বেশী দুর্বলতা হলো হোটেলের ভর্তাগুলির প্রতি। আমাদের একটা ধারণা আছে যে হোটেলে যে ভর্তা তৈরী হয়, সেটা আমাদের পক্ষে তৈরী করা সম্ভব না। অনেক রাঁধুনী আবার বলেন যে হোটেলে ভর্তা পরিমাণে অনেক বেশী করে করা হয়, তাই টেস্ট অনেক বেশী হয়। আমরা বলবো আপনি যদি সঠিক রেসিপি জানেন, তাহলে সবকিছুই সঠিকভাবে করা সম্ভব। এখন তৈরী করে দেখাচ্ছি বাংলাদেশী হোটেলের স্টাইলে চিংড়ি মাছের ভর্তা।

ভর্তাটা তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে…

  1. চিংড়ি মাছ ০.৫ কাপ
  2. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
  3. চিমটি পরিমাণ হলুদের গুঁড়ি
  4. লবণ ০.৫ চা চামুচ
  5. শুকনে মরিচ ৪/৫ টি
  6. রসুন কুচি ১ টেবিল চামুচ
  7. আদা কুচি ১ চা চামুচ
  8. সরিষার তেল ২ টেবিল চামুচ

পুরো প্রসেসটাই কিন্তু করতে হবে চুলোটা মাঝারি আঁচে রেখে…

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

বাচ্চাদেরকে টিফিনে কি দেয়া যায়, বা বিকেলের নাশতায় কি দেয়া যায়, সে নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই। আর ঘরে যদি একটা চকলেট ব্রাউনি তৈরী করা থাকে, তাহলে মায়েদের আর টেনশন নেই। অন্তত সাত দিনের জন্য তো টেনশন ফ্রি থাকা যাবে। অন্যান্য কেক তৈরী করার চাইতে ঝামেলা একটু বেশী হলেও বাচ্চারা অন্য সব কেক থেকে ব্রাউনিটাই বেশী পছন্দ করে। অন্তত আমার বাচ্চাতো ব্রাউনি পেলে আর কিছুই চায়না।

চকলেট ব্রাউনি তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লেগেছে

  1. চকলেট চিপস ২০০ গ্রাম
  2. ময়দা ১ কাপ
  3. আইসিং সুগার ১ কাপ
  4. বাটার ২০০ গ্রাম
  5. ডিম ৫ টি
  6. ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামুচ
  7. বেকিং পাউডার ০.৫ চা চামুচ

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

তৈরী করছি বাঙ্গালীদের জন্য স্টেক। বাঙ্গালীদের জন্য এই কারণে বললাম, বাঙ্গালীরা কিন্তু পশ্চিমাদের মতো অর্ধ-কাঁচা গোলাপী মাংস খাবেনা আবার আরবদের মতো শক্ত মাংসও খাবেনা। তো আমি মনেকরি আমার রেসিপিটি বাঙ্গালীদের জন্য পারফেক্ট একটা স্টেক রেসিপি।

স্টেক তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

স্টেক তৈরী করতে লেগেছে –

  1. ষাড়ের রিব-আই মাংসের টুকরো ২৫০×২=৫০০ গ্রাম
  2. ৫০ গ্রাম বাটার
  3. সয় সস ২ চা চামুচ
  4. অলিভ ওয়েল ১ চা চামুচ
  5. লবণ ০.৫ চা চামুচ
  6. গোল মরিচের গুঁড়ি ২ চা চামুচ

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

স্টেক কিংবা ইংলিশ কাটলেটের সাথে অসাধারণ এক রকমের সস পরিবেশন করা হয়। এখন সেই ক্রিম অফ মাশরুম সসটি তৈরী করে দেখাচ্ছি।

তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লেগেছে –

  1. ৬/৭ টি মাশরুম
  2. ০.৫ কাপ ক্রিম
  3. ৫০ গ্রাম বাটার
  4. ২ চা চামুচ পেঁয়জ কুচি
  5. ১ চা চামুচ রসুন কুচি
  6. স্বাদ অনুযায়ী লবণ (আমি ০.৫ চা চামুচ দিয়েছি)
  7. ০.৫ চা চামুচ গোল মরিচের গুঁড়ি

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমার চ্যানেলে সবসময়ই হালকা নাশতা টাইপের রেসিপির একটা আলাদা চাহিদা রয়েছে। আর আমি তাই চেষ্টা করি কিভাবে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে হালকা নাশতার রেসিপি উপস্থাপন করা যায়, বিশেষ করে শিশুদের কথা চিন্তা করে। তৈরী করে দেখাচ্ছি শ্রিম্প কেক। অ্যাপাটাইজার বলেন, বা বার্গারের প্যাটি বলেন যেভাবেই খেতে চান, এই শ্রিম্প কেকের জুড়ি নেই।

ক্রিম চিজ তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লেগেছে –

  1. চিংড়ি মাছ ৫০০ গ্রাম
  2. ডিমের কুসুম ১ টি
  3. কর্ণ ফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামুচ
  4. সয় সস ১ চা চামুচ
  5. ফিস সস ২ চা চামুচ
  6. চিনি ১ চা চামুচ
  7. গোল মরিচের গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  8. কাঁচা মরিচ ২ টি
  9. পুদিনা পাতা ১ টেবিল চামুচ
  10. রসুন ৩/৪ কোয়া

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমরা অনেকভাবে মাছ রান্না করি, কিন্তু মাছের কাবাবের চলটা আমাদের দেশে তেমন না হলেও সারা পৃথিবীতে মাছ দিয়ে তৈরী কাবাবের ভীষণ কদর রয়েছে। আর সেরকম কাবাব টাইপেরই একটা ডিস হলো ফিস স্টেক। পশ্চিমের দেশগুলিতে ফিশ স্টেক ভীষণ জনপ্রিয় এবং তৈরি কারও যায় ঝামেলা ছাড়া খুবই অল্প প্রিপারেশনে।

পিঠা তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে…
– কাঁটা ছাড়া মাছ ৫০০ গ্রাম (আমি স্যামন মাছ নিয়েছি)
– সয় সস ২ টেবিল চামুচ
– ফিশ সস ২ চা চামুচ (না থাকলে ১ চা চামুচ লবণ দিয়ে দেবেন)
– গোল মরিচের গুঁড়ি: ১ চা চামুচ মাছ মেরিনেশনে, ময়দার মধ্যে ০.৫ চা চামুচ
– লেবুর রস ১ টেবিল চামুচ
– ময়দা ০.৫ কাপ
– লবণ ১ চিমটি

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।