Tagged: নিরামিষ

টক ডালের কিন্তু একটা আলাদা টুইস্ট আছে। আমি সুযোগ পেলেই বাড়িতে পরিবারের জন্য টমেটোর ডাল জলপাইয়ের ডাল তৈরী করি। টক ডালের টক কিন্তু খুব বেশী হওয়া যাবেনা। সবকিছুর একটা পারফেক্ট ব্লেন্ড হতে হবে, কারণ খাবার টেবিলে অনেকেই হয়তো টক পছন্দ করেন, আবার অনেকেই টক পছন্দ করেন না। আমি যেভাবে রেসিপিটি তৈরী করেছি, আপনারা যদি হুবহু ফলো করেন, আশাকরি হতাশ হবেন না।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. মুসুর ডাল ১ কাপ
  2. জলপাই ৬ টি
  3. পিয়াঁজ কুচি
    • ডাল সেদ্ধ করতে ০.৫ কাপ
    • বাগাড় দিতে ০.২৫ কাপ
  4. রসুন ৭/৮ কোয়া
  5. কাচা মরিচ ৫/৬ টি
  6. চিমটি পরিমাণ হুলুদের গুঁড়ি
  7. ধনে গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  8. আদা বাটা ১ চা চামুচ
  9. লবাণ ১ চা চামুচ
  10. রসুন কুচি ১ চা চামুচ
  11. তেজ পাতা ২ টি
  12. শুকনো মরিচ ৩/৪ টি
  13. পাঁচ ফোড়ন ০.৫ চা চামুচ
  14. তেল ০.২৫ কাপ

এই রেসিপিটি সম্পর্কে উদরাজি ভাইয়ার ব্লগ: https://wp.me/p1KRVz-Tj
টমেটোর ডালের রেসিপির লিঙ্ক।
পাঁচ ফোড়ন তৈরীর রেসিপির লিঙ্ক।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমার অগনিত দর্শকের অনুরোধ ছিলো কিভাবে সহজে জলপাইয়ের আচার তৈরী করা যায় যাতে রোদে দিতে না হয় এবং অল্প সময়ে তৈরী করা যায়। খুব সহজেই তেরী করে দেখাচ্ছি একদম ফ্রেশ জলপাই দিয়ে রোদ না লাগিয়ে জলপাইয়ের আচার।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. ১ কেজি জলপাই
  2. ১ কাপ সরিষার তেল
  3. ১ কাপ চিনি
  4. ১ টেবিল চামুচ রসুন বাটা
  5. ১ টেবিল চামুচ আদা বাটা
  6. ২ টেবিল চামুচ সরিষা বাটা
  7. ১ চা চামুচ শুকনো মরিচের গুঁড়ি
  8. চিমটি পরিমাণ হলুদের গুঁড়ি
  9. ১ চা চামুচ লবণ
  10. ভিনেগার ০.২৫ কাপ
  11. পাঁচফোড়ন ১ চা চামুচ : https://youtu.be/uTHLBVggdVs
  12. আধাভাঙ্গা শুকনো মরিচের গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  13. ভাজা জিরার গুড়ি ১ চা চামুচ
  14. শুকনো মরিচ ৪/৫ টি

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

কতবেল, কদবেল বা কৎবেল। যে নামেই ডাকেন না কেনো অসাধারণ গুণাবলী রয়েছে এই ফলটির মধ্যে। অনেকরকম এসিডের কারণে ফলটি কিন্তু সাধারণত শুধু শুধু খাওয়া যায়না। থেকে হয় চাটনি বা আচার তৈরী করে। তবে যদি খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে অনেক অনেক উপকার পাওয়া যায়।

আমি যতগুলি আচার তৈরী করতে জানি, তার মধ্যে সবচাইতে সহজ আচার হলো কৎবেলের টক ঝাল মিষ্টি আচার। একবার দেখলেই বুঝতে পারবেন তৈরী করা কত্ত সহজ। আর তৈরী করা যেমন সহজ, সংরক্ষণ করাও তেমনি সহজ, কারণ এই আচারটি সহজে নষ্ট হয়না। আমি কখনো এই আচারটিতে ছাতা/ফাঙ্গাস ধরতে দেখিনি। চলুন তৈরী করার প্রক্রিয়া দেখি –

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. পাকা কৎবেল ৪ টি
  2. সরিষার তেল ১ কাপ
  3. পাঁচ ফোঁড়ন ১ টেবিল চামুচ
  4. শুকনো মরিচ ৭/৮ টি
  5. রসুন বাটা ১ চা চামুচ
  6. শুকনো মরিচের গুঁড়ি ১ টেবিল চামুচ
  7. বিট লবণ ১ চা চামুচ
  8. ধনে গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  9. টেলে নেয়া বা ভেজে নেয়া জিরা গুঁড়ি ১ টেবিল চামুচ
  10. সাদা ভিনেগার ০.৫ কাপ
  11. চিনি ১.৫ কাপ

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

পাইনঅ্যাপল জ্যাম!!
নামটা কি একটু কঠিন হয়ে গেলো? হ্যাঁ যারা এই জ্যামটার সাথে পরিচিত, তারা হয়তো ভাবছেন রুমানা এখন না যেনো কত কি দেখাবে। কিন্তু আমার এই রেসিপিটি দেখার পরে অনেকেই ভাববেন যে এই সহজ জিনিসটা আমরা তৈরী না করে কিনে খাই!!

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. আনারস
  2. চিনি
    পাল্প তৈরীর পরে যতটুকু আনারস হবে, ততটুকু চিনি দিতে হবে
  3. ছোটো এলাচ ২টি
  4. ১ কাপ পানি
    ০.৫ কাপ পাল্প তৈরীর সাময়, ০.৫ কাপ জ্যাম তৈরীর সময়

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমাদের গ্রাম-বাংলারে রেসিপিগুলিকে অনেকেই ঝামেলার রেসিপি মনে করেন এবং তৈরী করা থেকে এড়িয়ে যান। কিন্তু এদের মধ্যে অনেক রেসিপি আছে যেগুলি আধুনিকভাবে অনেক সহজেই তৈরী করে ফেলা যায়। সেরকমই একটি রেসিপি এখন দেখাচ্ছি নারিকেলের চিড়া। নারিকেলের এই চিড়াটি খেতে যে কি মজা, একবার না খেলে বোঝা যাবে না। এই চিড়াটা মিষ্টি হলেও অনেক মিষ্টি না, আর তৈরী করে এয়ার টাইট জারে রেখে অন্তত ১ মাস খাওয়া যায়। তবে ফ্রিজে রাখার দরকার হয়না।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –
– কুচি করে কাটা নারিকেল ৩ কাপ
– চিনি ২ কাপ
– তেজ পাতা ২ টি
– ছোটো এলাচ ২ টি
– দারুচিনি ১০ সেঃমিঃ

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

সুন্দরভাবে খাবারের পরিবেশনার জন্য খাবার পরিবেশনের গার্নিশিং-এর ১ম পর্বে আমি আপনাদের কাছ থেকে খুবই ভালো সাড়া পেয়েছি। আর সেজন্যই এখন নিয়ে আসলাম খাবার পরিবেশনের গার্নিশিং ২য় পর্ব। আশাকরি আপনাদের এই ভিডিওটাও কাজে লাগবে।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ভর্তা ভাতে বাঙ্গালী। একটা ভালো ভর্তা আর সাদা ভাত হলে এক বেলার খাবারে বাঙ্গালীর আর কিছু লাগে বলে মনে হয়না। আমাদের ভর্তা পর্বে খুবই সহজ এবং অসাধারণ স্বাদের একটা ভর্তা করে দেখাচ্ছি ধনে পাতার ভর্তা।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. ধনে পাতা ২৫০ গ্রাম
  2. সরিষার তেল ১ টেবিল চামুচ
  3. রসুনের কোয়া ১০/১২ টি
  4. কাঁচা মরিচ ৭/৮ টি
  5. পিঁয়াজ ০.৫ কাপ
  6. লবণ ০.৫ চা চামুচ
  7. সামান্য পরিমাণ লেবুর রস

এই ভর্তাটি তৈরী করে কিন্তু ১ দিনের জন্য ফ্রিজে রেখে পরে খাওয়া যাবে। শুধু রাখার আগে লেবুর রস দেবেন না। পরিবেশন/খাওয়ার আগে লেবুর রস চিপে দিয়ে পরিবেশন করবেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

সুন্দরভাবে খাবারের পরিবেশনা কার না ভালো লাগে! আমরা সাধারণত টমেটো, ডিম, গাজর, শসা, পিয়াঁজ, লেটুস পাতা দিয়ে পরিবেশনের সময় খাবার সাজাতে পছন্দ করি। এই পরিবেশনাকেই বলে গার্নিশিং। পরিবারের প্রিয়জন কিম্বা অতিথির সামনে আকর্ষণীয়ভাবে খাবার পরিবেশনে ফল ও সবজির গার্নিশিং একটি কার্যকরী ও আধুনিক কৌশল। খাবারের পাশাপাশি গার্নিশিং-এর উপস্থিতি খাবারের পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় অনেকগুণ। অনেকে বলেন গার্নিশিং করে খাবারের পরিবেশন খাবার পরিবেশনকারীর রুচি ও ব্যক্তিত্বও প্রকাশ করে। আজকাল কোন অনুষ্ঠানে খাবার কেবল সুস্বাদু হলেই হয়না এর সাথে খাবারের শৈল্পিক উপস্থাপনাও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে দেখা দিয়েছে। তাই দিন দিন গায়ে হলুদের মত ঘরোয়া অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সভা, সেমিনারের মত অফিশিয়াল অনুষ্ঠানেও এর উপস্থিতি চোখে পড়ার মত।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

কারও কাছ থেকে আমার গার্নিশিং শেখা হয়নি। তবে যতটুকুই পারি, চেষ্টা করবো আমার দর্শকদের শিখিয়ে দিতে। আমি যা পারি, পর পর কয়েকটি পর্বে তা উপস্থাপন করবো। আশাকরি নতুনদের কাজে লাগবে।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ঝট্‌পট্ সকালের নাশতা বলতে পাউরুটি আর জেলির বিকল্প নেই। আর সেই জেলি যদি কোনো ধরণের কেমিক্যালের ব্যবহার ছাড়া তৈরী করা যায়, তাহলেতো কোনো কথাই নেই। তৈরী করে দেখাচ্ছি পেয়ারা দিয়ে জেলি। এই জেলি তৈরী করে আমি একটু খাবারের রঙ ব্যবহার করেছি, তবে এই রঙেরও কোনো প্রয়োজন নেই।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. পানি ২ কেজি পেয়ারা সেদ্ধ করার পরে পানি হয়েছে ২ কাপ
  2. চিনি ২ কাপ
  3. লেবুর রস ১ চা চামুচ (আপনারা চাইলে বাড়াতে পারেন, কোনো ক্ষতি নেই)
  4. খাবারের রঙ (ঐচ্ছিক) ০.৫ চা চামুচ

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

কেক পেস্ট্রি সহ বিভিন্ন বেকিং আইটেমের রেসিপি ফলো করতে গেলেই আমরা নানা ধরণের ময়দার নাম শুনি। এদের মধ্যে Cake Flour, Self Raising Flour, Pastry Flour নাম তিনটি বার বার সামনে আসে। কিন্তু ঝামেলা হলো এই ময়দাগুলি আমাদের মার্কেটেতো পাওয়াই যায়না, এমনকি বিদেশের সুপারশপগুলিতেও ঠিকমতো পাওয়া যায়না। আর কেক পেস্ট্রি আমরা প্রতিদিন তৈরীও করিনা যে এগুলি কিনে তাকের মধ্যে সাজিয়ে রাখবো। আর সেজন্যই সমাধান হিসেবে আমি দেখাচ্ছি কিভাবে আমরা বাসায় সাধারণ ময়দা বা All Purpose Flour দিয়ে Cake Flour, Self Raising Flour, Pastry Flour তৈরী করতে পারবো।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

আশাকরি ভিডিওটি অনেকের কাজে লাগবে।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।