Tagged: ভর্তা

ভর্তা ভাতে বাঙ্গালী। একটা ভালো ভর্তা আর সাদা ভাত হলে এক বেলার খাবারে বাঙ্গালীর আর কিছু লাগে বলে মনে হয়না। আমাদের ভর্তা পর্বে খুবই সহজ এবং অসাধারণ স্বাদের একটা ভর্তা করে দেখাচ্ছি ধনে পাতার ভর্তা।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. ধনে পাতা ২৫০ গ্রাম
  2. সরিষার তেল ১ টেবিল চামুচ
  3. রসুনের কোয়া ১০/১২ টি
  4. কাঁচা মরিচ ৭/৮ টি
  5. পিঁয়াজ ০.৫ কাপ
  6. লবণ ০.৫ চা চামুচ
  7. সামান্য পরিমাণ লেবুর রস

এই ভর্তাটি তৈরী করে কিন্তু ১ দিনের জন্য ফ্রিজে রেখে পরে খাওয়া যাবে। শুধু রাখার আগে লেবুর রস দেবেন না। পরিবেশন/খাওয়ার আগে লেবুর রস চিপে দিয়ে পরিবেশন করবেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ভর্তার প্রতি দুর্বলতাটা বাঙ্গালীর নতুন কিছু না। তবে সবচাইতে বেশী দুর্বলতা হলো হোটেলের ভর্তাগুলির প্রতি। আমাদের একটা ধারণা আছে যে হোটেলে যে ভর্তা তৈরী হয়, সেটা আমাদের পক্ষে তৈরী করা সম্ভব না। অনেক রাঁধুনী আবার বলেন যে হোটেলে ভর্তা পরিমাণে অনেক বেশী করে করা হয়, তাই টেস্ট অনেক বেশী হয়। আমরা বলবো আপনি যদি সঠিক রেসিপি জানেন, তাহলে সবকিছুই সঠিকভাবে করা সম্ভব। এখন তৈরী করে দেখাচ্ছি বাংলাদেশী হোটেলের স্টাইলে চিংড়ি মাছের ভর্তা।

ভর্তাটা তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে…

  1. চিংড়ি মাছ ০.৫ কাপ
  2. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
  3. চিমটি পরিমাণ হলুদের গুঁড়ি
  4. লবণ ০.৫ চা চামুচ
  5. শুকনে মরিচ ৪/৫ টি
  6. রসুন কুচি ১ টেবিল চামুচ
  7. আদা কুচি ১ চা চামুচ
  8. সরিষার তেল ২ টেবিল চামুচ

পুরো প্রসেসটাই কিন্তু করতে হবে চুলোটা মাঝারি আঁচে রেখে…

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ব্যাচেলারদের জন্য আমরা সবসময়ই আমাদের চ্যানেলে সহজ এবং বৈচিত্রময় রেসিপি নিয়ে আসার চেষ্টা করি। খুব কম সময়ে তৈরী করা যায় এই সেদ্ধ ডিমের ভর্তার রেসিপিটি নিয়ে এসেছি আমাদের ব্যাচেলার দর্শকদের জন্য। বুয়ার হাতের একঘেয়ে রান্না খেতে খেতে যারা ক্লান্ত, তাদের এই রেসিপিটি খুবই পছন্দ হবে আশা করছি।

অনথন তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে…

  1. ডিম ২ টি
  2. শুকনো মরিচ ৪/৫ টি
  3. ০.৫ কাপ পেঁয়াজ কুচি
  4. ১ টেবিল চামুচ সরিষার তেল
  5. ০.৫ চা চামুচ লবণ
  6. ১ টেবিল চামুচ ধনে পাতা কুচি

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

স্কুলের টিফিন বা হালকা নাশতার রেসিপিগুলির এখন অনেক রিকোয়েস্ট রয়েছে আমার কাছে। এক এক করে সহজ আর টেস্টি রেসিপি দেয়ার চেষ্টা করছি। আর তারই আরকটি কিস্তিতে দিচ্ছি চিকেন মিটবল রেসিপি সিপি স্টাইলে। বিকেলে নাশতা বা বাচ্চাতের সহজেই স্কুলে টিফিন দিতে পারবেন এই মিটবল।

একটা বিষয় উল্লেখ করে রাখা প্রযোজন, দোকানের সাথে কিন্তু আমাদের স্বাদের তারতম্য হবে, কারন ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে টেস্টিং সল্ট বা অনেক ধরণের ফুড স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করে, যেগুলি আমার কাছে স্বাস্থ্যে সন্মত মনেহয়না। স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের বিষয়টাও কিন্তু মাথায় রাখতে হবে।

চিকেন মিটবল তৈরী করার পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লেগেছে –

  1. মুরগির মাংসের কিমা ২ কাপ
  2. ডিম ১ টি
  3. রসুন বাটা ১ চা চামুচ
  4. আদা বাটা ০.৫ চা চামুচ
  5. টমেটো সস ২ টেবিল চামুচ
  6. সয় সস ১ টেবিল চামুচ
  7. ফিশ সস ২ টেবিলপ চামুচ
  8. ১০/১২ টি পুদিনা পাতা
  9. ৩/৪ টি কাঁচা মরিচ
  10. ৩/৪ টি শুকনো মরিচ
  11. ০.৫ চা চামুচ গোল মরিচের গুঁড়ি

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ভর্তা ছাড়া বাঙ্গালী খাবারের ক্যামেস্ট্রিটা যেনো সম্পুর্ণ হয়না। এখন দেখাচ্ছি একটা দুর্দান্ত বেগুনের ভর্তা, বাংলা হোটেল স্টাইলে। ভর্তাটার নাম ভুনা বেগুন ভর্তা…

ভুনা বেগুনের ভর্তা তৈরীর পদ্ধতি দেখি:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

ভুনা বেগুন ভর্তা তৈরী করতে যা যা লেগেছে

  1. ০.৫ কেজি বেগুন
  2. ০.৫ কাপ টমেটো
  3. ০.৫ কাপ পেঁয়াজ কুচি
  4. ০.২৫ কাপ তেল
  5. ১ টা ডিম
  6. ০.৫ চা চামুচ মরিচের গুঁড়ি
  7. ০.৫ চা চামুচ গোটা জিরা
  8. ০.৫ চা চামুচ গরম মশলার গুঁড়ি
  9. ০.২৫ চা চামুচ আদা বাটা
  10. ০.২৫ চা চামুচ রসুন বাটা
  11. ২ চা চামুচ লবণ

তৈরী করে আমাদের ফেসবুক পেজে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আবার একটা নতুন ভর্তা নিয়ে উপস্থিত হলাম আপনাদের সামনে। যেমন তেমন ভর্তা না, স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী একটা ভর্তা, চীনাবাদাম ভর্তা। চীনাবাদামের উপকারী গুন সম্পর্কে আশাকরি অনেকেই অবগত আছেন। প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চীনাবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা। নিয়মিত চীনাবাদাম খেলে ক্যানসার, হৃদরোগে এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে। গবেষকেরা বলছেন, চীনাবাদাম ও নানা জাতের গাছ-বাদামে এমন পুষ্টি উপাদান আছে যা অনেক রোগ থেকেই আমাদের বাঁচাতে পারে। আর সেই জিনিস আমাদের বাঙালী স্টাইলে ভর্তা করে খেলেতো আর কথাই নেই!

 

আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখি চীনাবাদামের ভর্তা তৈরীর প্রক্রিয়া:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লেগেছে…

  1. চিনা বাদাম ২৫০ গ্রাম
  2. শুকনো মরিচ ৫ টি
  3. বড় পেঁয়াজ ১ টি
  4. বড় রসুন ১ টি
  5. স্বাদ অনুযায়ী লবণ
  6. ১ চা চামুচ সরিষার তেল
  7. প্রয়োজন মতো রান্নার তেল

অনেকেই রিকোয়েস্ট করেন যে গতানুগুতিক খাবারের বাহিরে ভিন্ন ধরণের কিছু তৈরী করে দেখাতে, যা তৈরীও করা যাবে ঝট্‌পট্ এবং খেতেও হবে একটু অন্যরকম। তাদের জন্যই এই মুরগির কলিজা ভর্তা রেসিপি।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লেগেছে:

  1. রান্না করা মুরগির কলিজা ১ টি
  2. কাঁচা মরিচ ২ টি
  3. মাঝারি আকারের পেঁয়াজ ২ টি
  4. ধনে পাতা আন্দাজ মতো
  5. সরিষার তেল দেড় চা চামুচ
  6. লবণ আধা চা চামুচ

আমার মনেহয় বাঙ্গালীর শিরায় শিরায় ঢুকে আছে ভর্তা প্রীতি। মাছ ভর্তা, শুঁটকি ভর্তা, শাক ভর্তা, মাংস ভর্তা, কোন জিনিসটার ভর্তা খাইনা আমরা! আমার ভর্তা পর্বে এখন দেখাচ্ছা মাছ ভর্তা।

চলুন দেখি বাংলাদেশী স্টাইলে মাছ ভর্তা তৈরীর ভিডিও:

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

সম্পুর্ণ প্রসেসে আমি মাছ ভেজে ভর্তা করে দেখিয়েছি, তবে আপনারা রান্না করা মাছ দিয়েও একই স্বাদের ভর্তা তৈরী করতে পারেন।

মাছ ভর্তা তৈরী করতে যা যা লাগছে…

  1. মাছ – ২ টুকড়ো (২৫ গ্রাম)
  2. লবণ – মোট ১ চা চামুচ
    1. আধা চা চামুচ মাছ মাখার সময় আর
    2. আধা চা চামুচ ভর্তা করার সময়
  3. হলুদের গুঁড়ি – আধা চা চামুচের একটু কম
  4. শুকনো মরিচের গুঁড়ি – আধা চা চামুচ
  5. রান্নার তেল – মোট ৬ টেবিল চামুচ
    1. মাছ ভাজার সময় ৩ টেবিল চামুচ আর
    2. পরবর্তি প্রক্রিয়ায় ৩ টেবিল চামুচ
  6. শুকনো মরিচ – ৫ টি
  7. ৪ টা বড় আকারের পেঁয়াজ
  8. রসুন – ১ টি
  9. আদা কুঁচি – ১৫ গ্রাম
  10. সরিষার তেল – মোট ১.৫ চা চামুচ
  11. ধনে পাতা – আন্দাজ মতো

ভর্তা ভালো লাগেনা এরকম বাঙ্গালী মনেহয়না পাওয়া যাবে। এখন তৈরী করছি মুসুর ডালের ভর্তা ৯৯% বাংলাদেশী স্টাইলে। ১% কম কেনো? কারণ গ্রামে মরিচটা চুলোর খড়ির কয়লার আগুনে পুড়ে যেটা শহরে উপলব্ধ নয় 🙂 তাই বলে কি ভর্তা খাওয়া বন্ধ থাকবে? এক্কেবারেই না, চলুন দেখি মুসুর ডাল ভর্তা তৈরীর রেসিপি –

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

মসুর ডালের ভর্তা তৈরীতে যা যা লাগছে:

  1. আধা কাপ মসুর ডাল
  2. বড় রসুনের কোয়া ৩ টি
  3. শুকনো মরিচ ৬ টি
  4. পেঁয়াজ ২ টি
  5. সরিষার তেল ১ চা চামুচ
  6. লবণ আন্দাজ মতো
  7. হলুদের গুঁড়ি আধা চা চামুচের একটু কম
  8. রান্নার তেল ২ টেবিল চামুচ
  9. ধনে পাতা প্রয়োজন মতো

ভর্তা পছন্দ করেনা এরকম বাঙ্গালি বোধহয় পাওয়া যাবেনা। এখন দেখাবো চিংড়ি ভর্তার পদ্ধতি।

চাইলে এই লিঙ্ক থেকে ইউটিউবেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে যা যা লাগছে-

  1. চিংড়ি – ২৫০ গ্রাম
  2. পেঁয়াজ – ২টি
  3. সরিষার তেল
  4. রসূন কুঁচি
  5. আদা কুঁচি
  6. লবণ
  7. হলুদের গুঁড়ি
  8. তেল
  9. কাঁচামরিচ

কোনো প্রশ্ন থাকলে বা কেমন লাগলো অনুগ্রহ করে মন্তব্যে জানাবেন।