মাইক্রোওয়েভে হাতে মাখা খিচুড়ি

কর্মব্যস্ত একটা দিন পার করার পরে সবারই ইচ্ছা করে ভালোমন্দ কিছু খেতে। কিন্তু রান্নার ঝামেলার জন্য অনেকসময় তা হয়ে ওঠে না। এই ধরেন একটা খিচুড়ি রান্না করবো, আয়োজন করতে হবে, কষাতে হবে, বার বার দেখতে হবে কতদূর হলো, কত রকমের প্রসেস। কিন্তু সেটাই যদি কোনো ঝামেলা ছাড়া করা যায়, তাহলে কার না খেতে ইচ্ছে করবে!

তৈরী করে দেখাচ্ছি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে হাতে মাখা খিচুড়ি। অনেকেই চিন্তা করেন মাইক্রোওয়েভ ওভেন স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ কি না। এ বিষয় পরিস্কার ধারণা পেতে ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের এই লেখাটি পড়তে পারেন।

ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সমস্যা হলে এই লিঙ্ক থেকে ডেইলি মোশনেও ভিডিওটি দেখতে পারেন।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. সুগন্ধি পোলাওর চাল ০.৫ কাপ
  2. মুসুর ডাল ০.৫ কাপ
  3. দারুচিনি ৮-১০ সেঃমিঃ
  4. বড় কালো এলাচ ১টি
  5. ৩/৪ টি লং
  6. ছোটো/সবুজ এলাচ ২টি
  7. তেজপাতা ১টি
  8. কাঁচা মরিচ ৩/৪টি
  9. আদা বাটা ০.৫ চা চামুচ
  10. রসুন বাটা ০.৫ চা চামুচ
  11. গোল মরিচের গুঁড়ি ০.৫ চা চামুচ
  12. ১ টেবিল চামুচ ঘি
  13. লবণ ১ চা চামুচ
  14. ১ চা চামুচ ধনে গুঁড়ি
  15. চামটি পরিমাণ হলুদ
  16. ০.২৫ কাপ পিয়াঁজ কুচি
  17. রান্নার তেল ১ টেবিল চামুচ
  18. ক্যাপসিকাম ৩ টেবিল চামুচ
  19. গাজর ১ টেবিল চামুচ
  20. মটরশুঁটি ১ টেবিল চামুচ

আমি মাইক্রোওয়েভ করেছি, বেকিং/গ্রিল/কনভেকশন না। আমার মাইক্রোওয়েভ ওভেনটা ৯০০ ওয়াটের এবং রান্না করেছি ফুল পাওয়ারে। আমি যে সময়টা উল্লেখ করেছি সেটা ৮০০-১০০০ ওয়াটের ওভেনের জন্য। আপনার ওভেন যদি ৭৫০ ওয়াটের নীচে হয়, তাহলে খাবার রান্নার চেষ্টা না করার পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে। আপনি যদি নতুন ওভেন কিনতে চান, তাহলে মাইক্রোওয়েভ এর সাথে কনভেকশন (বেকিং) আছে এরকম ওভেন কিনবেন, তাহলে সবকিছুই রান্না করতে পারবেন। তবে মাইক্রোওয়েভের পাওয়ার অবশ্যই ৯০০-১০০০ ওয়াটের মধ্যে কেনার চেষ্টা করবেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না।