আনারস ইলিশ মাইক্রোওয়েভ ওভেনে

ইলিশ মাছের সাথে বাংলার নতুন বছর উদযাপনের কখনই কোনো সম্পর্ক ছিলোনা। কিন্তু কিভাবে যেনো এটি আমাদের কালচারের একটা অংশ হয়ে গিয়েছে। গত বছর ঠিক এই সময়টাতে আমি বেশ কিছু ইলিশ মাছের রেসিপি শেয়ার করেছিলাম, আর এখন করছি আনারস ইলিশ, আর তৈরী করছি মাইক্রোওয়েভ ওভেনে। তবে এমন না যে এই রেসিপিটি আপনাকে এখন খেতে হবে। আপনি বছরের যখন আপনার সুবিধা হয় তখন রেসিপিটা রান্না করতে পারেন। তৈরী করতে মোট সময় লাগবে আনুমানিক ২০ মিনিট।

আচ্ছা আমাকে অনেকে কমেন্ট করনে যে ইলিশের সাথে এটা ওটা দেই কেনো, এমনকি বিভিন্ন মসলা দেই কেনো সেটা নিয়েও প্রশ্ন করেন। আচ্ছা আমি একটা জিনিসই বুঝলাম না যে এরকম কি কোনো আইন আছে যে ইলিশে কি দেয়া যাবে কি দেয়া যাবেনা? একবার ট্রাই করেই দেখুন না খেতে কেমন লাগে। আশা করি রেসিপিটি ভালো লাগবে।

তৈরী করতে লাগছে –

  1. ইলিশ মাছ ২৫০ গ্রাম
  2. আনারস ২৫০ গ্রাম
  3. পিঁয়াজ বাটা ০.২৫ কাপ
  4. রসুন বাটা ০.৫ চা চামুচ
  5. শুকনো মরিচের গুঁড়ি ১ চা চামুচ
  6. হলুদ বাটা চিমটি পরিমাণ
  7. লবণ ১ চা চামুচ
  8. ধনে গুঁড়ি ০.৫ চা চামুচ
  9. জিরা গুঁড়ি ০.৫ চা চামুচ
  10. রান্নার তেল ২ টেবিল চামুচ

যাদের মাইক্রোওয়েভ ওভেন নেই, তারা এই একই প্রসেসে সব কাজ করে ভাপা ইলিশের মতো করে রান্না করতে পারেন। আর ভাপা ইলিশের রেসিপি দেখবেন এই লিঙ্কে।

অনেকেই চিন্তা করেন মাইক্রোওয়েভ ওভেন স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ কি না। এ বিষয় পরিস্কার ধারণা পেতে ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের এই লেখাটি পড়তে পারেন।

আমি মাইক্রোওয়েভ করেছি, বেকিং/গ্রিল/কনভেকশন না। আমার মাইক্রোওয়েভ ওভেনটা ৯০০ ওয়াটের এবং রান্না করেছি ফুল পাওয়ারে। আমি যে সময়টা উল্লেখ করেছি সেটা ৮০০-১০০০ ওয়াটের ওভেনের জন্য। আপনার ওভেন যদি ৭৫০ ওয়াটের নীচে হয়, তাহলে খাবার রান্নার চেষ্টা না করার পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে। আপনি যদি নতুন ওভেন কিনতে চান, তাহলে মাইক্রোওয়েভ এর সাথে কনভেকশন (বেকিং) আছে এরকম ওভেন কিনবেন, তাহলে সবকিছুই রান্না করতে পারবেন। তবে মাইক্রোওয়েভের পাওয়ার অবশ্যই ৯০০-১০০০ ওয়াটের মধ্যে কেনার চেষ্টা করবেন।

তৈরী করার অভিজ্ঞতা আমাদের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে ভুলবেন না। শেয়ার করে আপনিও জিতে নিতে পারেন একটি সুন্দর উপহার।