খুদের বউয়া ভাত
খুদের বউয়া ভাত আমাদের গ্রাম বাংলার অনেক পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী একটি রেসিপি। ধান ভেঙ্গে চাল করে চাল ঝাড়লে যে ছোটো […]
খুদের বউয়া ভাত আমাদের গ্রাম বাংলার অনেক পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী একটি রেসিপি। ধান ভেঙ্গে চাল করে চাল ঝাড়লে যে ছোটো […]
আমাদের খাবারের ধরণ কেমন যেনো হয়ে গিয়েছে। মিষ্টিতে মিষ্টি নেই! মরিচে ঝাল নেই!! সেদিন সুপারস্টোরে বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপু মরিচে
ভর্তা দুপুর বা রাতের খাবারের সাথে যদি একটা ভর্তা থাকে, তাহলে খাওয়ার ইচ্ছা বেড়ে যায় বহুগুণ। আর সেই ভর্তাটা যদি
মাছ, মাংস, ডাল, ভাত, ভাজি এগুলো আমাদের সবসময়ই খাওয়া হয়। আর খেতে খেতে যখন একঘেয়েমি চলে আসে তখন আমারা স্বাদে
অনেকদিন হয়ে গেলো কোনো ভর্তার রেসিপি দেয়া হচ্ছেনা। এরই মধ্যে আমাদের এক দর্শক জান্নাতুল ফেরদৌস কিছুদিন আগে এই রেসিপিটি আমাদের
আমরা ভালো কিছু খাওয়ার জন্য একটা অজুহাত তৈরী করি। অজুহাতের কিন্তু প্রয়োজন নেই, যদি সামনে থাকে চমৎকার শিম আলু ভর্তা।
জীবনে আমরা কিছু শিখলে সহজে ভুলিনা। এই ভর্তাটা আমি শিখেছিলাম আমার ছাত্র জীবনে মহাখালি ওয়্যারলেস গেটের একটি হোটেল থেকে। এখনো
কিছু কিছু ভর্তা আছে তৈরী করা একটু ঝামেলার, আবার কিছু কিছু ভর্তা আছে যেটা তৈরী করা এতো সহজ যেটা আমরা
ভর্তা ভাত হলে আমাদের আর কিছু লাগেনা। আর গতানুগতিক রুটিনের খাবারগুলি থেকে বের হয়ে আসার জন্য ভর্তার বিকল্প নেই। আর
ভর্তা ভাতে বাঙ্গালী। একটা ভালো ভর্তা আর সাদা ভাত হলে এক বেলার খাবারে বাঙ্গালীর আর কিছু লাগে বলে মনে হয়না।